ফিউচার মার্কেটে টানা দুদিন দরপতনের পর মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম শুক্রবার কিছুটা বেড়েছে। ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (ডিসিই) ও শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) অন্যান্য ভোজ্যতেলের দরবৃদ্ধি এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে শুক্রবার মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম বেড়েছে টনে ৪৭ রিঙ্গিত বা ১ দশমিক ১৪ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য পৌঁছেছে ৪ হাজার ১৫২ রিঙ্গিতে।
মুম্বাইভিত্তিক সানভিন গ্রুপের কমোডিটি রিসার্চ হেড অনিলকুমার বাগানি বলেন, ‘ভারত পুনরায় পাম অয়েল ক্রয় বাড়াতে পারে। এমন পূর্বাভাসে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম বেড়েছে। এছাড়া অন্যান্য বাজারে ভোজ্যতেলের দরবৃদ্ধির প্রভাবও পাম অয়েলের বাজারে পড়েছে।’
তিনি জানান, নভেম্বর শেষে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ বৃদ্ধি ও ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার রফতানি শুল্ক কমে যাওয়ার খবর ফিউচার মার্কেটে সামনের দিনগুলোয় পাম অয়েলের মূল্যবৃদ্ধির ধারাকে সীমিত করে তুলতে পারে।
ভারতের রিফাইনারি প্রতিষ্ঠানগুলো ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত প্রায় ৭০ হাজার টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি বাতিল করেছে। বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধি ও রুপির বিনিময় হার কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশটির স্থানীয় বাজারে সয়াবিন তেলের দাম আমদানি মূল্যের চেয়ে কম হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, পাম অয়েল আমদানি বাড়াতে পারে ভারত।